Type Here to Get Search Results !

WB Class 6 Geography Suggestion - ষষ্ঠ শ্রেণি - আমাদের পৃথিবী - ষষ্ঠ অধ্যায় - বরফে ঢাকা মহাদেশ - Class 6 Geography Notes

 ষষ্ঠ শ্রেণি

আমাদের পৃথিবী
ষষ্ঠ অধ্যায়
বরফে ঢাকা মহাদেশ




প্রশ্ন: গ্রিক শব্দ Antarktika র অর্থ কি?
উত্তর: উত্তরের বিপরীত।

প্রশ্ন: সাদা মহাদেশ কি?
উত্তর: সারাবছরই ১-২ কিমি ফ্রম ইউএসবি অফ বরফের চাদরে ঢাকা থাকে-এই কারণে পৃথিবীর মানচিত্রে আন্টার্কটিকা কে সাদা রঙে দেখানো থাকে। তাই আন্টার্কটিকার আরেক নাম সাদা মহাদেশ।

প্রশ্ন: আন্টার্কটিকার জীবজগৎ সম্পর্কে কি জানো।
উত্তর: চির তুষারে ঢাকা আন্টার্কটিকায় কোন গাছপালা নেই। একমাত্র গৃষ্ম কালে সমুদ্রের ধারে কোথাও সামান্য বড় গেলে গেলে মস, লাইকেন, শ্যাওলা জন্মায়। আন্টার্কটিকার একমাত্র স্থানীয় বাসিন্দা পেঙ্গুইন পাখি। ভয়ঙ্কর ঠান্ডাতেই এরা অভ্যস্ত। চারপাশের সমুদ্রের প্রচুর মাছ, সামুদ্রিক পাখি, তিমি, সীল দেখা যায়। আন্টার্কটিকার সমুদ্র চিংড়ি জাতীয় 'ক্রিল-এ ভর্তি। মাছ, করিল হল পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য।

প্রশ্ন: টীকা লেখ:- পেঙ্গুইন
উত্তর: পেঙ্গুইন উড়তে পারেনা। কিন্তু ভালো সাঁতার কাটতে পারে। প্রায় 17 রকম প্রজাতির পেঙ্গুইন আছে আন্টার্কটিকায়। এদের মধ্যে এম্পেরর পেঙ্গুইন সবথেকে বড় হয়। প্রায় চার ফুট লম্বা আর ওজন হয় প্রায় 30 কেজি। সরাসরি চকচকে আলোকে বাঁকা থাকে যা জলে ভেজে না। ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে ত্বকের নিচে পুরু চর্বির স্তর থাকে।

প্রশ্ন: আন্টার্কটিকা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক চুক্তি গুলি উল্লেখ করো?
উত্তর: ১৯৫৯ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে পৃথিবীর যেকোন দেশে এই মহাদেশ সমস্ত রকম বৈজ্ঞানিক গবেষণার সুযোগ পাবে। কিন্তু সব রকম গবেষণা, পরিকল্পনা হতে হবে শান্তির উদ্দেশ্যে। আন্টার্কটিকার প্রাকৃতিক সম্পদে কোন দেশের নিজস্ব অধিকার থাকবে না। পৃথিবীর সব দেশকেই এই অঞ্চলের জীব বৈচিত্র এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।

প্রশ্ন: প্রশান্ত মহাসাগরের আন্টার্কটিকা জীবন্ত আগ্নেয়গিরির নাম কি?
উত্তর: মাউন্ট এরেবাস।

প্রশ্ন: আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কি?
উত্তর: ভিনসন ম্যাসিফ।

প্রশ্ন: পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কি?
উত্তর: লম্বার্ট হিমবাহ।

প্রশ্ন পৃথিবীর সর্বনিম্ন শীতলতম স্থানের নাম কি?
উত্তর: ভস্টক।

প্রশ্ন: আন্টার্কটিকার ভবিষ্যৎ তোমার মতামত আলোচনা করো?
উত্তর: দক্ষিণ মেরুতে তুষারে ঢাকা এই মহাদেশের আবহাওয়া, প্রাকৃতিক পরিবেশ সারা পৃথিবীর জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই এই মহাদেশের ভবিষ্যৎ আসলে সারা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ।

   কিন্তু বিশ্ব উষ্ণায়ন, ওজোন স্তর ক্ষয়, বায়ুদূষণ ইত্যাদি কারণে আন্টার্কটিকার দূষণমুক্ত বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক পরিবেশ, মেঘ যুক্ত স্বচ্ছ আকাশ, নির্মল বাতাস সবকিছুই এখন চরম সঙ্কটে। ক্রমাগত উষ্ণতা বাড়ার ফলে প্রতিদিন একটু একটু করে গলে যাচ্ছে আন্টার্কটিকার বরফ, কমে যাচ্ছে মহাদেশের আয়তন। ফলের ক্রিল,সিল, পেঙ্গুইন সবারই সংখ্যা কমছে, নষ্ট হচ্ছে আন্টার্কটিকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য।

প্রশ্ন: কে সুমেরু বিন্দুতে প্রথম পৌঁছেছিলেন?
উত্তর: ভয়ঙ্কর প্রতিকূল আবহাওয়া, তুষার ঝড়, বরফের স্তরে বড়ো বড়ো ফাটল সবকিছুকেই অপেক্ষা করে 14 ই ডিসেম্বর হাজার হাজার 1911 তারাই প্রথম পৌঁছালেন পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে।
Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

LightBlog

gad

close